এম. মছব্বির আলী : মৌলভীবাজারে সড়ক ও জনপথের চুরি হওয়া ৪টন যন্ত্রাংশের মধ্যে ১৬শ কেজি যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে খাইরুল আলমকে প্রধান করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মৌলভীবাজারে সড়ক ও জনপথের ১ম সারির কারখানার রুলার, গ্রেডার, জিপ, ট্রাক এর যন্ত্রাংশ দীর্ঘদিন যাবৎ পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এমতাবস্থায় প্রায়ই অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজসে যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে দীর্ঘদিন যাবৎ। ৪টন যন্ত্রাংশের মধ্যে ১৬শ কেজি ওজনের গাড়ির ৬ পিছ ওয়েট পেইল্ট গত ৪ অক্টোবর ফেরৎ পেয়েছে (সওজ) মৌলভীবাজার। জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সওজ এর সহকারী ম্যাকানিক মোস্তফা মৌলভীবাজার চৌমূহনাস্থ প্রথম সারির কারখানা থেকে ৪টন যন্ত্রংাশ চুরি করে। এ বিষয় নিয়ে শহরে তোলপাড় সৃষ্টি হলে সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাদের মাঝে টনক নড়ে। ঘটনার ৭দিন পর মোস্তফা চুরি যাওয়া যন্ত্রাশের মধ্যে ১৬শ কেজি যন্ত্রাংশ অফিসে ফেরৎ দেয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথের ম্যাকানিকেল শাখার দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত এস,ডি,ই গোলাম রসূল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরিত্যক্ত দেড়টন মাল চুরি হয়েছে এর মধ্যে ১৬শ কেজি যন্ত্রাংশ উদ্বার করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম রসুল জানান, পরিত্যক্ত যন্ত্রাংশ নিলামের জন্য ৩ মাস আগে ঢাকা হেড অফিসে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে ঘটনার পরদিন থেকে তার মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি আজিজুর রহমান গতকাল ৫ অক্টোবর জানান, এ ব্যাপারে সওজ থানায় কোন জিডি কিংবা লিখিত কোন অভিযোগ দায়ের করেনি। আমাকে তাদের পক্ষ থেকে আজ পর্যন্ত কিছুই জানায়নি। উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর থেকে মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথের পরিত্যক্ত যন্ত্রাংশ নিলাম হয়নি। অপর এক সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতার পর থেকে পরিত্যক্ত গাড়িগুলোর ভেতরের কোন যন্ত্রাংশ নেই। অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজসে যন্ত্রাংশ চুরি করে বিক্রি করে আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ যেন দেখার কেউ নেই।
অবাধে চুরি হচ্ছে মৌলভীবাজারে সড়ক ও জনপথের যন্ত্রাংশ
Sunday, October 6, 2013
Labels:
# ডেইলি সিলেট
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment