সুরমা টাইমস রিপোর্টঃ হকারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে শতাধিক হকার নিয়ে নগরীর হকার্স মার্কেট ঘুরে দেখলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হকারদের পুনর্বাসন সম্ভব হয়নি। মার্কেটের দোকানের মালিকানা নিয়ে জটিলতার কারণে পুনর্বাসন সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে হকারদের নিয়ে হকার্স মার্কেট ঘুরে আসেন মেয়র। তবে সংস্কার কাজ শেষে হকার্স মার্কেটের সি ব্লকে হকারদের পুনর্বাসন করা হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র আরিফ। এদিকে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মাঠে নামছে মোবাইল কোর্ট। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এই কোর্ট পরিচালনা করা হবে। যাতে হকার ও ক্যানভাসাররা আবার ফুটপাতে পসরা সাজাতে না পারে।
সিসিক সূত্রে জানা যায়, ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের পর থেকে নগরীর হকাররা আন্দোলনের নামে। পুনর্বাসনের দাবিতে তারা মেয়রের কাছে দাবি জানায়। মেয়র আরিফও তাদেরকে আশ্বস্থ করেন। মেয়রের আশ্বাস অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে হকাররা নগরভবনে এসে জড়ো হতে থাকে। বেলা ১টার দিকে প্রায় ২০০-৩০০ হকার নগরভবনের সামনে জড়ো হন। পরে পুনর্বাসনের ল্েয তাদেরকে লালদিঘীরপাড় হকার্স মার্কেটে নিয়ে যান মেয়র। কিন্তু অন্ধকারাচ্ছন্ন নোংরা পরিবেশ দেখে মেয়র হকারদের নিয়ে ফিরে আসেন। এছাড়া হকার্স মার্কেটের দোকানের মালিকানা নিয়ে জটিলতা থাকায় তাৎনিক পুনর্বাসনও সম্ভব হয়নি।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জানান, হকার্স মার্কেটের সি ব্লকে ফুটপাত থেকে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসন করা হবে। এ ল্েয মার্কেটের সংস্কার কাজ করা হবে। সিটি কর্পোরেশন পরিষদের সাথে বৈঠক করে শীঘ্রই হকারদের পুনর্বাসন কাজ শুরু হবে বলে জানান মেয়র।
এসময় সিটি কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, রেজওয়ান আহমদ, আজাদুর রহমান আজাদ, রাজিক মিয়া, এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল, রকিবুল ইসলাম ঝলক, ফরহাদ চৌধুরী শামীম, তৌফিকুল হাদী, কোহিনূর ইয়াসমিন ঝর্না, জাহানারা খানম মিলন, দিবা রাণী দে প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment