দুই মাস পর বিয়ানীবাজার থেকে অপহৃত কলেজ ছাত্রী উদ্ধার : অপহরণকারী গ্রেফতার

Tuesday, October 22, 2013

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি

বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর সূত্র ধরে অপহরণের দুই মাস পর বিয়ানীবাজার থেকে অপহৃত কলেজ ছাত্রী খালেদা খানমকে (১৯) সোমবার রাতে মোলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার বাদেদেউল গ্রামের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ। এসময় পুলিশ অপহরণকারী যুবককে মিজানুল আলম নাইমকেও আটক করে।




গতকাল মঙ্গলবার সকালে উদ্ধারকৃত কলেজ ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পুলিশ সিলেট ওসমানি মেডিকেল হাসপাতালের ওসিসিতে এবং ধৃত যুবককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।

পুলিশ জানায়, বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী খালেদা খানম গত ২৮ জুলাই মুল্লাপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে অপহৃত হয়। ২ আগস্ট খালেদা খানমের পিতা সাহেদ উদ্দিন লুকুছ ৬জনকে আসামি করে বিয়ানীবাজার থানায় অপহরণ মামলা (মামলা নং ১-০২/০৮/২০১৩) দায়ের করেন। ২১ অক্টোবর মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে রাত সাড়ে আটটায় মোলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার শমসের নগর পুলিশ ফাঁড়ির সহায়তায় শমসের নগর এলাকা থেকে অপহরণকারী যুবক মিজানুল আলম নাইমকে আটক করে পুলিশ। তার তথ্যানুযায়ী রাত দশটার দিকে শমসের নগর এলাকার বাদেদেউল গ্রামের একটি বাড়ি থেকে কলেজ ছাত্রী খালেদাকে উদ্ধার করা হয়। অপহরণকারী যুবক মিজানুল আলম নাইম বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ মুছেগুল গ্রামের সোহাগ উদ্দিনের পুত্র। উদ্ধার অভিযানকালে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের সাথে এএসপি (জকিগঞ্জ সার্কেল) জসিম উদ্দিন অংশ নেন।

একই মামলায় নাইমের পিতা সোহাগ উদ্দিনসহ আরও তিনজন এজাহারভুক্ত আসামি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। অপর আসামিরা হলেন- নাইমের চাচাতো ভাই আরিফুল হক (২৪), রুহুল আমীন (২৭) ও সোহান আহমদ। এ মামলার অপর আসামি রুমেল আহমদ পলাতক রয়েছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) নুনু মিয়া বলেন, ‘অপহৃত নাইম মেয়ের পরিবার কাছে টাকা চাইলে সোমবার দুপুরে বিকাশের মাধ্যমে তাদের পাঁচ হাজার টাকা দেয়া হয়। মোবাইলের সূত্র ধরে এবং নিজস্ব সোর্সের সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।’





Share on :

No comments:

Post a Comment

 
Copyright © 2015. Sylhet News.
Design by Herdiansyah Hamzah. Published by Themes Paper. Distributed By Kaizen Template Powered by Blogger.
Creative Commons License