শীর্ষ নিউজ ও আমার দেশ রিপোর্ট: নারায়ণগঞ্জে অপরহরণ করে ৭ জনকে খুন করার ঘটনায় সম্পৃক্তর অভিযোগে র্যাব-১১ সদ্য সাবেক কমান্ডিং অফিসার (সিও) লে. কর্নেল সাঈদ তারেকসহ র্যাবের তিন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। লে. কর্নেল সাঈদ তারেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার মেয়ের জামাই। চাকরিচ্যুত অপর দু’জন হলেন র্যাব-১১ দুই কর্মকর্তা মেজর আরিফ হোসেন ও লে. কমান্ডার এম এম রানা। তারা নিজ বাহিনীর পর্যবেক্ষণে থাকবেন। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে গতরাতে অনলাইন বার্তা সংস্থা শীর্ষ নিউজ জানায়, চাকরিচ্যুত ৩ র্যাব কর্মকর্তাকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে লগ এরিয়ায় অন্তরীণ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অধিকতর তদন্তের স্বার্থে বুধবার তাদেরকে ক্যান্টনমেন্টে লগ এরিয়ায় অন্তরীণ করা হয়।
খুনের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর সম্প্রতি তাদের স্ব স্ব বাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর দুই কর্মকর্তা লে. কর্নেল সাঈদ তারেক ও মেজর আরিফ হোসেনকে চাকরি থেকে অকালীন অবসরে পাঠানো হয়েছে। নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লে. কামন্ডার এমএম রানাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর গতকাল তিন সামরিক কর্মকর্তার চাকরিচ্যুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে এই তিন কর্মকর্তা অবসরকালীন সব সুযোগ সুবিধা পাবেন। টাকা নিয়ে ৭ জনকে অপহরণ ও খনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে চাকরিচ্যুতির পর সব সুযোগসুবিধা নিশ্চিত করে অবসরে পাঠানোর বিষয়টি জনমনে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
গুম-খুনের শিকার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদ চেয়ারম্যান লিখিতভাবে অভিযোগ করেছিলেন র্যাবকে ৬ কোটি টাকা দিয়ে সিদ্দিরগঞ্জের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা নুর হোসেন নজরুলসহ ৭ জনকে খুন করিয়েছেন। মন্ত্রী মায়ার ছেলে খুনের টাকা লেনেদেনে সম্পৃক্ত বলে শহীদ চেয়ারম্যান সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেন। বেসরকারি ব্যংকের মাধ্যমে কিভাবে কাদের মাধ্যমে টাকা লেন দেন হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণও তুলে ধরেন তিনি।
২৭ এপ্রিল তাদের অপহরণের পর পরই শহীদ চেয়ারম্যান র্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও শুরুর দিকে এটা আমলে নেয়নি সরকার। মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারও সুশীল সমাজ থেকে এ নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পর বিলম্বে হলেও র্যাবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। এ ঘটনার জন্য র্যাবকে ছয় কোটি টাকা দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলামের অভিযোগ প্রকাশের পরই অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে র্যাব। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। নারায়ণগঞ্জের অপহরণের পর সাতজনের লাশ উদ্ধারের দিনই তারেক সাইদসহ প্রশাসনের পাঁচ কর্মকর্তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
জানা গেছে, জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন সামরিক কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অবসরে পাঠানো তিন কর্মকর্তাতে তাদের স্ব-স্ব আবাসস্থলে অবস্থান করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদেরকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে ফোর পথে শিবু মার্কেটের কাছ থেকে প্যানেল মেয়ার ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, সিনিয়র আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ ৭ জনকে অপরণ করা হয়। পরে তাদেরকে হত্যা করে ইটের বস্তার সঙ্গে বেঁধে লাশ ডুবিয়ে দেয়া হয় শীতলক্ষ্যায়। ৩০ এপ্রিল একে একে ৭টি লাশ ভেসে ওঠে।
তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন:
নজরুল ইসলামের পরিবারের আপত্তির প্রেক্ষিতে ৭ খুনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার গতরাতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিকে গতরাতে অনলাইন বার্তা সংস্থা শীর্ষ নিউজ জানায়, চাকরিচ্যুত ৩ র্যাব কর্মকর্তাকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে লগ এরিয়ায় অন্তরীণ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অধিকতর তদন্তের স্বার্থে বুধবার তাদেরকে ক্যান্টনমেন্টে লগ এরিয়ায় অন্তরীণ করা হয়।
খুনের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর সম্প্রতি তাদের স্ব স্ব বাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর দুই কর্মকর্তা লে. কর্নেল সাঈদ তারেক ও মেজর আরিফ হোসেনকে চাকরি থেকে অকালীন অবসরে পাঠানো হয়েছে। নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লে. কামন্ডার এমএম রানাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর গতকাল তিন সামরিক কর্মকর্তার চাকরিচ্যুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে এই তিন কর্মকর্তা অবসরকালীন সব সুযোগ সুবিধা পাবেন। টাকা নিয়ে ৭ জনকে অপহরণ ও খনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে চাকরিচ্যুতির পর সব সুযোগসুবিধা নিশ্চিত করে অবসরে পাঠানোর বিষয়টি জনমনে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
গুম-খুনের শিকার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদ চেয়ারম্যান লিখিতভাবে অভিযোগ করেছিলেন র্যাবকে ৬ কোটি টাকা দিয়ে সিদ্দিরগঞ্জের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা নুর হোসেন নজরুলসহ ৭ জনকে খুন করিয়েছেন। মন্ত্রী মায়ার ছেলে খুনের টাকা লেনেদেনে সম্পৃক্ত বলে শহীদ চেয়ারম্যান সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেন। বেসরকারি ব্যংকের মাধ্যমে কিভাবে কাদের মাধ্যমে টাকা লেন দেন হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণও তুলে ধরেন তিনি।
২৭ এপ্রিল তাদের অপহরণের পর পরই শহীদ চেয়ারম্যান র্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও শুরুর দিকে এটা আমলে নেয়নি সরকার। মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারও সুশীল সমাজ থেকে এ নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পর বিলম্বে হলেও র্যাবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। এ ঘটনার জন্য র্যাবকে ছয় কোটি টাকা দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলামের অভিযোগ প্রকাশের পরই অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে র্যাব। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। নারায়ণগঞ্জের অপহরণের পর সাতজনের লাশ উদ্ধারের দিনই তারেক সাইদসহ প্রশাসনের পাঁচ কর্মকর্তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
জানা গেছে, জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন সামরিক কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অবসরে পাঠানো তিন কর্মকর্তাতে তাদের স্ব-স্ব আবাসস্থলে অবস্থান করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদেরকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে ফোর পথে শিবু মার্কেটের কাছ থেকে প্যানেল মেয়ার ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, সিনিয়র আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ ৭ জনকে অপরণ করা হয়। পরে তাদেরকে হত্যা করে ইটের বস্তার সঙ্গে বেঁধে লাশ ডুবিয়ে দেয়া হয় শীতলক্ষ্যায়। ৩০ এপ্রিল একে একে ৭টি লাশ ভেসে ওঠে।
তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন:
নজরুল ইসলামের পরিবারের আপত্তির প্রেক্ষিতে ৭ খুনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার গতরাতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
No comments:
Post a Comment