জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত জৈন্তিয়া ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে স্ত্রী দাবী করে এক মহিলাকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যপারে জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং- ১০, তারিখ ২১ অক্টোবর, ২০১৩ইং।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় গোয়াইনঘাট উপজেলার আলীরগাও ইউনিয়নের আটলিহাই গ্রামের জমির উদ্দিনের কন্যা সুলতানা বেগম (জেসমিন) চিকনাগুল ইউনিয়নের ঠাকুরের মাটি গ্রামে তার স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে একটি সিএনজিও গাড়ি যোগে যাচ্ছেন। পথিমধ্যে সিলেট তামাবিল সড়কের দরবস্ত জৈন্তিয়া ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন এলাকায় আসার পর কানাইঘাট উপজেলার হারাতৈল গ্রামের মো. সামছুল হকের পুত্র রফিকুল আম্বীয়া (৩০) সহ ৬/৭ জন যুবক গাড়ির গতিরোধ করে সুলতানা বেগম কে জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় গাড়িতে সাথে থাকা মেয়ের চাচাত ভাই আমিনুল ইসলাম ও নানা জালাল উদ্দিন কে মারদর করা হয়। তাদের আত্ম চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে জনতা রফিকুল আম্বীয়া কে আটক করে গণধোলাই দেন। তখন অন্য যুবকরা পালিয়ে যান। খবর পেয়ে দরবস- ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল আহমদ ঘটনাস’লে ছুটে যান। তিনি আটকৃকত রফিকুল আম্বীয়া কে উদ্বার করে জৈন্তাপুর হাসপাতালে প্রেরন করেন।
এ সময় জৈন্তাপুর মডেল থানার এস আই জয়ন্ত কুমার দে‘র নেতৃত্বে একদল পুলিশও ঘটনাস’লে ছুটে যান। বিগত ২০০৭ সালে রফিকুল আম্বীয়ার সাথে সুলতানা বেগম (জেসমিনের) বিয়ে হয়েছিল। পরবর্তীতে তাদের (স্বামী-স্ত্রীর) মধ্যে পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলে ২০১০ সালে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। ছাড়াছাড়ি হওয়ার প্রায় ৩ বছর পর মেয়ের পিতা জমির উদ্দিন গত ৯ অক্টোবর চিকনাগুল ইউনিয়নের ঠাকুরের মাটি গ্রামের আব্দুর রহমানের সাথে জেসমিন কে বিবাহ দেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে রফিকুল আম্বীয়া তার দলবল নিয়ে জোরপূর্বক জেসমিন কে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রফিকুল আম্বীয়ার বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
জৈন্তাপুরে স্ত্রী দাবী করে মহিলাকে অপহরণের চেষ্টা
Monday, October 21, 2013
Labels:
# আমাদের সিলেট
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment